সফটওয়্যার পাইরেসি কি? - Nishibd.com | Know For Sharing

সফটওয়্যার পাইরেসি কি?

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন আপনারা সবাই আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আজ আমি আপনাদের সফটওয়্যার পাইরেসি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।


সফটওয়্যার পাইরেসি কিঃ
কোন ব্যক্তি বা সফটওয়্যার নির্মাণকারী  প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারগুলো তাদের অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে কপি বা নকল করে ব্যবহার করা এবং সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজের তৈরিকৃত সফটওয়্যার বলে অন্যের কাছে তা বিক্রয় বা বিতরণ করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলে। কম্পিউটার সফটওয়্যার শিল্পে সফটওয়্যার পাইরেসি একটি বড় ধরনের প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। সফটওয়্যার মানুষের একটি বুদ্ধিভিত্তিক সম্পদ। এই সম্পদ তৈরি করতে অনেক মেধা সময় আর অর্থের প্রয়োজন। আর এই সম্পদের মালিক একমাত্র তারাই।  তাই তাদের তৈরিকৃত সফটওয়্যার তাদের কোন প্রকার অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে কপি বা নকল করে ব্যবহার করা এবং সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজের তৈরিকৃত সফটওয়্যার বলে অন্যের কাছে তা বিক্রয় বা বিতরণ এটা এক ধরনের বড় অপরাধ। যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে তাদের সফটওয়্যার লেভেলপার বা প্রোগ্রামারদের অনেক টাকা বেতন হিসেবে দিতে হয়। আর সফটওয়্যার পাইরেসির কারনে অনেক সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলো সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে তারাই এর প্রকৃত মালিক বা স্বত্বাধিকার। আর সফটওয়্যার পাইরেসির ফলে তারা তাদের প্রকৃত মালিকানা বা স্বত্বাধিকার থেকে বঞ্চিত হন। তাই অনেক সময় তারা নতুন নতুন সফটওয়্যার তৈরিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

সফটওয়্যার শিল্পকে এই সফটওয়্যার পাইরেসির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রচলিত কপিরাইট আইন আছে। এই কপিরাইট আইনে কেউ অপরাধ করলে দেশে প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের সাজা শাস্তির ব্যবস্থাও আছে। আমরা যখন বাজার থেকে কোন সফটওয়্যার ক্রয় করি তখন তারা আমাদের তাদের তৈরিকৃত সফটওয়্যারটি ব্যবহার করার জন্য তাদের সফটওয়্যারের একটি রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্স কী দেয়। একে রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্স চুক্তিও বলা হয়। এই রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্স কী দিয়ে আমাদের কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে হয়। রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্স এমন একটি চুক্তি এই চুক্তি অনুযায়ী ব্যবহারকারীর ক্রয়কৃত সফটওয়্যারটি মুছে যাবার কোন সম্ভাবনা থাকে তবে সে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সফটওয়্যারটি কপি করে ব্যাকআপ হিসেবে রাখতে পারে। লাইসেন্স চুক্তিতে যদি শুধু মাত্র একটি কম্পিউটারেই সফটওয়্যারটি ব্যবহারের কথা উল্লেখ থাকে তবে সে শুধু তার একটি কম্পিউটারেই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারবে। ব্যবহারকারী একাধিক কম্পিউটার থাকলেও চুক্তিবলে সে ওগুলো কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারবেনা এবং তার ক্রয়কৃত সফটওয়্যারটি অন্য কাউকে দিতে পারবেনা।


সফটওয়্যার পাইরেসির কারনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ঃ
সফটওয়্যার মানুষের একটি বুদ্ধিভিত্তিক সম্পদ। আর এই সম্পদটি সফটওয়্যার পাইরেসির কারনে ক্রেতা, বিক্রেতা সহ সফটওয়্যার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
সফটওয়্যার পাইরেসির ফলে যে ক্ষতিগুলো হয় তা নিচে আলোচনা করা হলঃ
১.বিশ্ব অর্থনীতিঃ
কোন ব্যক্তি বা কোন সফটওয়্যার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান তাদের সফটওয়্যারগুলো সমগ্র বিশ্বব্যাপী বাজারজাতকরণ করার ক্ষেত্রে সফটওয়্যার পাইরেসির শিকার হলে ঐ উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান তথা বিশ্ব অর্থনীতিতে এর একটা খারাপ ধরনের খুব বাজে প্রভাব পড়ে।
যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে তাদের সফটওয়্যার লেভেলপারদেরকে অনেক উচ্চ বেতনের টাকে দিয়ে রাখতে হয়। কিন্তু সফটওয়্যার পাইরেসির কারনে অনেক সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ফলে তারা সফটওয়্যারের উন্নয়নে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। সফটওয়্যার পাইরেসির কারনে অনেক প্রতিষ্ঠান আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে বিলুপ্তি হয়ে যায়। এর কারনে অনেক প্রতিষ্ঠানের নিয়োজিত সফটওয়্যার ডেভেলপার বা প্রোগ্রামারগণ চাকুরি হারান। সফটওয়্যার পাইরেসির ফলে সফটওয়্যার উৎপাদনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোটা অংকের আয়ের উৎস হতে বঞ্চিত হয়। সর্বোপরি সফটওয়্যার পাইরেসির কারনে বিশ্ব অর্থনীতিতে একটা খারাপ বিরুপ প্রভাব লক্ষ করা যায়।

আইনসঙ্গত সফটওয়্যার ব্যবহারকারীঃ
সফটওয়্যার মানুষের একটি বুদ্ধিভিত্তিক সম্পদ। এই সম্পদ তৈরি করতে অনেক মেধা সময়, শ্রম আর অর্থের প্রয়োজন। আর এই সম্পদের মালিক একমাত্র তারাই যারা অনেক কষ্টে সফটওয়্যারটির উন্নমন করেছে । আর এরাই সফটওয়্যারের প্রকৃত মালিক বা স্বত্বাধিকার। আর সফটওয়্যার পাইরেসির ফলে তারা তাদের প্রকৃত মালিকানা বা স্বত্বাধিকার থেকে বঞ্চিত হন। সফটওয়্যার পাইরেসি কারনে অন্যের তৈরিকৃত সফটওয়্যার তাদের কোন প্রকার অনুমতি ছারাই অবৈধভাবে কপি বা নকল করে ব্যবহার করা হয় অনেক ক্ষেত্রে সফটওয়্যারের সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজের তৈরিকৃত সফটওয়্যার বলে চালিয়ে দিয়ে অন্যের কাছে তা বিক্রয় বা বিতরণ করা হয়। এতে সফটওয়্যার আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে অনেক ব্যবহারকারীকেই ছোট বড় নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যারা বৈধভাবে অর্থ দিয়ে সফটওয়্যার ক্রয় করেন তারাও আর্থিক সমস্যায় পড়েন।

৩. পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারকারীঃ
বিনামূল্যে পাওয়া অনেক পাইরেটেড সফটওয়্যারের মাঝেই ভাইরাস থাকে যা পিসির ক্ষতি করে। আবার এসকল পাইরেটেড সফটওয়্যারের সকল ফিচার অপশন কাজ করেনা। কারন এসকল সফটওয়্যারগুলো সব ক্রাক করা তাই এসকল সফটওয়্যারের মধ্যে যথাযথ ডকুমেন্টেশন প্রোগ্রাম থাকেনা। যেমন সফটওয়্যার আপডেট, আপগ্রেড, বাড়তি কিছু ফিচার ফাংশনের সুবিধা ইত্যাদি। পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার দ্বারা কোন প্রতিষ্ঠানের সেবার মান অক্ষুণ্ণ রাখা যায়না। যেমন ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটের অনেক পেইড থিমের পাইরেটেড ক্রাক ভার্সন ফ্রিতে পাওয়া যায়। এগুলোর মাঝে শুধু ভাইরাস থাকে। এগুলো ব্যবহারের ফলে আপনার ওয়েবসাইট যে কোন সময় হ্যাক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পাইরেটেড সফটওয়্যারগুলোর বেশির ভাগই ক্রাক করা তাই এসকল সফটওয়্যারগুলো আপডেট, আপগ্রেড সহ ভার্সন নিয়ন্ত্রণের কোন সুবিধা থাকেনা। আর এসকল সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে ব্যবহারকারীদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়।

যেভাবে সফটওয়্যার পাইরেসি হয়ঃ
সফটওয়্যার পাইরেসির কারনগুলো নিচে আলোচনা করা হল-

১. সফটলিফটিংঃ
 কেউ কোন সফটওয়্যার ক্রয় করলে সফটওয়্যার লাইসেন্স এর চুক্তি অনুযায়ী সে একটি পিসিতে ব্যবহারের জন্য ক্রয় করলে সে শুধু একটি পিসিতেই এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারবে। তার আরো একাধিক পিসি থাকলেও সে ব্যবহার করতে পারবেনা। এবং এই সফটওয়্যার অন্য কাউকে ব্যবহারের জন্য দিতেও পারবেনা। কিন্তু সফটলিফটিং এর ফলে একজন ব্যবহারকারী বাজার থেকে একটি সফটওয়্যার কিনে এনে তার সকল পিসিতেই ইন্সটল দিয়ে ব্যবহার করে। এতে সফটওয়্যার লাইসেন্স চুক্তি লঙ্ঘিত হয়।যেমন- অনেকে বাজার থেকে লাইসেন্স কৃত সফটওয়্যার কিনে এনে তা কপি করে বন্ধুবান্ধব সহ সকলকে ব্যবহার করার জন্য বিতরন করে থাকে।

২. ইন্টারনেট আপলোডিং ডাউনলোডিংঃ
ইন্টারনেটে অনেক পাইরেটেড সফটওয়্যার পাওয়া যায়। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কপিরাইট  সফটওয়্যারগুলো অনলাইনে বিনামূল্যে সরবরাহ করে থাকে । এধরনের সফটওয়্যারগুলো ইন্টারনেটে সরবরাহ এবং সংরক্ষণ করা কপিরাইট আইনের আওতায় পড়ে। ইন্টারনেটের মাধ্যমেও সফটওয়্যার পাইরেসি হয়।

৩. সফটওয়্যার নকলঃ
সফটওয়্যার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারগুলো অবৈধভাবে সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজেদের বলে চালিয়ে দিয়ে বিক্রয়, বিতরন করাকে সফটওয়্যার নকল বলা হয়।

৪. সফটওয়্যার পুঃবিক্রিঃ
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সামগ্রী ক্রয় করার সময় নানা ধরনের সফটওয়্যার সরবরাহ করা হয়। এসকল সফটওয়্যার যদি ব্যবহারকারী অন্যের কাছে বিক্রয় করে বা কোন লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার ক্রয়ের পর তা কপি করে অন্যের কাছে বিক্রয় করাকে সফটওয়্যার পুঃবিক্রি বলে।

৫. হার্ড ডিস্ক লোডিংঃ
সফটওয়্যার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ব্যতীত বিনা অনুমতিতে তাদের লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারগুলো হার্ডডিস্কে লোড করে বিক্রয় করাকে হার্ড ডিস্ক লোডিং বলে।

৬. সফটওয়্যার ভাড়াঃ
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকে তাদের লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার ক্রয় করে সাময়িক অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করার জন্য কিছু সময়ের জন্য অন্যের কাছে অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করতে দিয়ে থাকে। একে ভাড়া দেয়া বলা হয়।
এসকল কারনে সাধারণত সফটওয়্যার পাইরেসি হয়ে থাকে।


সফটওয়্যার পাইরেসি প্রতিরোধের উপায় সমূহঃ

১. পাসওয়ার্ডঃ
 সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে সফটওয়্যার  তৈরি সময় এতে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। যাতে ব্যবহারকারী এই সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইন্সটল দেয়ার সময় পাসওয়ার্ড চাইবে। এবং এই সফটওয়্যারের পাসওয়ার্ড ওয়ান টাইম হিসেবে একবারই কাজ করবে। সফটওয়্যার ব্যবহারকারী চাইলে এই সফটওয়্যার কপি করে অন্য কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবে না।

২. সিরিয়াল নম্বরঃ
সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে সফটওয়্যারগুলো গোপনীয় কোড হিসেবে সিরিয়াল নম্বরগুলো ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহারকারী সফটওয়্যার ইন্সটল করতে গেলেই সিরিয়াল নম্বর চাইবে আর এটা ছাড়া সফটওয়্যার ইন্সটল হবেনা। যারা বাজার থেকে সফটওয়্যারের সিডি কিনবে তারাই সিডির গায়ে এ সিরিয়াল নম্বর পাবে।

৩. বিলম্বিত পাসওয়ার্ডঃ
কিছু কিছু সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আছে যারা কিছু দিনের জন্য কোন প্রকার পাসওয়ার্ড ছাড়াই তাদের তৈরিকৃত সফটওয়্যার জনগণকে Free Trial হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। এবং নিদিষ্ট সময় শেষে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে সফটওয়্যারে পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে ইন্সটল করতে হয়।

৪. কপি প্রতিরোধীঃ
সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে কেউ সফটওয়্যারগুলো কপি করতে গেলে কপি করতে না পারে। কপি করতে গেলে যাতে সফটওয়্যারে থাকা ফাইলগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতে কেউ সফটওয়্যার কপি করে অন্য কম্পিউটারে ইন্সটল করতে পারবেনা। এভাবে কপি প্রতিরোধী করে সফটওয়্যার পাইরেসি রোধ করা সম্ভব।

৫. হার্ডওয়্যার লকঃ
সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে ক্রেতার হার্ডওয়্যারের প্লাগ করে সফটওয়্যার সাধারণত তৈরি করা হয়ে থাকে। এতে করে সেই কম্পিউটার ছাড়া অন্যকোন কম্পিউটারে এ সফটওয়্যার ইন্সটল করতে গেলে সফটওয়্যার সেই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার চেক করবে এবং প্রথম ক্রয়কৃত ক্রেতার মত অনুরুপ হার্ডওয়্যাররের কম্পিউটার না পেলে এ সফটওয়্যার সেই কম্পিউটারে ইন্সটল নিবে না। এভাবে হার্ডওয়্যার লক সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমেও সফটওয়্যার পাইরেসি রোধ করা সম্ভব।


লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার ক্রয়ের সুবিধা সমূহ নিচে আলোচনা করা হলঃ

১. লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারের মাঝে সকল ধরনের গুণাবলি বিদ্যমান থাকে। তাই এই সফটওয়্যার ক্রয়ের পর ব্যবহারকারীকে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়না। ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং অধিক স্বাচ্ছন্দে কাজ করা যায়।

২. লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারের ক্রয় করলে সফটওয়্যার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লাভবান এতে করে নতুন নতুন সফটওয়্যারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এবং এখান থেকে সরকারের প্রচুর রাজস্ব আদায় হয় যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৩. লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার ব্যবহার করলে প্রতিনিয়ত এর আপডেট সুবিধা পাওয়া যায়। লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারের কপিরাইট, পাইরেসি, আইনি ঝামেলা এগুলো নেই। লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার ব্যবহার করতে গিয়ে কোন রকম সমস্যা জটিলয় পড়তে হয়না। তাই লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারের শান্ত মনে অতি আনন্দে দ্রুততার সাথে কাজ করা যায়।



আজ এপর্যন্তই...
কারো কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

Post a comment

0 Comments